Some years ago, I shared my views on this theme in some of the internet sites, including in a Zoom meeting that was organized by Sufi. Here he writes on the same topic. - HS
================
দেশ
সংস্কারে প্রবাসীদের অবদানে ব্রেন ড্রেন ব্রেন গেইনে রূপান্তর
সালেক সুফী
১৯৭১ স্বাধীনতা সংগ্রাম ,১৯৯০ গণতন্ত্রের সংগ্রাম
এবং অবশেযে ২০২৪ ছাত্র জনতার
গণবিস্ফোরণ সব সময় বাংলাদেশের
প্রবাসী সমাজ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা
রেখেছে। সংস্কার আর পরিবর্তনের ক্রান্তিলগ্নে
প্রবাসী বাংলাদেশিদের এখন অনেক কিছুই
করার আছে. একটু চোখ
কান খোলা রাখলেই দেখবেন
প্রবাসী চীনারা চীনকে পাল্টে দিয়েছে, প্রবাসী ভারতীয়রা ভারতের উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রাখছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের দক্ষতা ,ক্ষমতা এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে
বাংলাদেশের বিপর্যস্ত অর্থনীতি , অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নে অবদান
রাখার। বাংলাদেশীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম মেরুদন্ড। তবে অনেক বৈধ
পথে না পাঠানোয় অনেক
ক্ষেত্রই রেমিট্যান্সের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পাচ্ছে না বাংলাদেশ। শুরুতেই
আহবান জানাবো প্রবাসী ভাই বোনদের বৈধ
পথে রেমিট্যান্স দেশে পাঠাতে। বাংলাদেশের
চিন্নিত দুষ্কৃতিকারীরা অবাধ লুটপাট করে
বিষয়ে অর্থ সম্পদ পাচার
করে সম্পদ গড়ে তুলেছে। দেশপ্রেমিক
প্রবাসী সংগঠনগুলোকে অনুরোধ করবো যুক্তরাষ্ট্র ,যুক্তরাজ্য
,কানাডা , মদ্ধপ্রাচ্য ,মালয়েশিয়া , সিঙ্গাপুর ,থাইল্যান্ড ,অস্ট্রেলিয়া যেখানেই দুর্নিপরায়ণ লুটেরা যারা আছে তাদের
চিন্নিত করা এবং এদের
আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কাছে ধরিয়ে দেয়ার
ব্যাপারে সহায়তা করার। নিদেন পক্ষে এদের সামাজিকভাবে বয়কট
করা.
বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি বিদ্যুৎ ,খনি উন্নয়ন কার্যক্রম
, হাসপাতাল ,কৃষি উন্নয়ন কাজে
অনেক বাংলাদেশী বিদেশে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত আছে. একসময় আমি
নিজেও বিশ্ব বাংলাদেশী ফোরামের সঙ্গে সংযুক্ত ছিলাম। চেয়েলিয়াম বাংলাদেশ সরকারকে সৎ পরামর্শ নিয়ে
উন্নয়ন প্রয়াসকে সমন্বিত করতে। বাংলাদেশ সরকারের দুটি উদ্যোগে ২০০৯
এবং ২০১৯ শামিল হয়েছিলাম।
কিন্তু আয়োজনকারীদের আনাড়িপনা এবং আমলাতন্ত্রের সহযোগিতার
অভাবে উদ্যোগগুলো সফল হয় নি.
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা থেকে কয়েকজন খ্যাতনামা
একাডেমিক্স এবং গবেষক আমাকে
নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন। জানিনা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নতুন করে উদ্যোগ
নিবেন কিনা। সরকার প্রধান নোবেল লরিয়েট নিজেই সম্মক ভাবে অবহিত প্রবাসী
বাংলাদেশীদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা বিষয়ে।
শিক্ষা ,সাস্থ ,কৃষি ,পরিবেশ , জ্বালানি বিদ্যুৎ ,যাতায়াত অবকাঠামো সকল খাতেই প্রবাসী
বাংলাদেশিরা অবদান রাখতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার উদ্যোগ নিলে একটি সমন্বিত
কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে।
তবে প্রথমেই বাংলাদেশ সরকারের দূতাবাসগুলোর মাদ্ধমে প্রকৃত দক্ষ ,যোগ্য এবং দেশপ্রেমিক প্রবাসীদের
একটি ডাটা বেজ তৈরী
করে ঢাকায় উপযোগী সময়ে একটি কর্মশালা
অনুষ্ঠান করতে হবে. তবে
বিষয়টি পরিকল্পিত পথে অনুষ্ঠান না
করলে কিন্তু প্রয়াসটি সার্থক হবে না.
বাংলাদেশ এখন শতাব্দীর সবচেয়ে
প্রলয়ংকারী বন্যায় ভাসছে। নেপাল ভারত থেকে সৃষ্ট
সকল নদ নদীর ভাটিতে
থাকা বাংলাদেশের এই সমস্যা ভারতের
সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অথবা বিষয়টি আন্তর্জাতিক
ফোরামে নিয়ে জোরালোভাবে উপস্থাপনের
বিষয়ে সহায়তা করার মত দক্ষ
প্রবাসীদের সম্পৃক্ত করার এখন মোক্ষম
সময়. জ্বালানী ,বিদ্যুৎ ,পরিবেশ খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়তা করতে পারে দক্ষ
প্রবাসীরা। শিক্ষা সংস্কার ,সাস্থ সেবা উন্নয়ন ,কৃষি
আধুনিকায়ন , অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা , পর্যটন শিল্পের বিস্তার, খেলাধূলা , সকল খাতেই প্রবাসীদের
সম্পৃক্ত করার সুযোগ আছে।
প্রবাসী অনেকেই দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য মুখিয়ে আছে.
প্রয়োজন সরকারি উদ্যোগ এবং আমলাদের মাইন্ডসেট
পরিবর্তন। রাজনৈতিক সরকার সংকীর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে কখনোই এই উদ্যোগ গ্রহণ
করবে না বা করলেও
পক্ষপাত দুষ্ট হবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সঠিক উদ্যোগ নিলে
ব্রেন ড্রেন ব্রেন গেইনে পরিণত হবে. বিদেশী পরামর্শকদের
পিছনে অযথা মূল্যবান অর্থ
বিনিয়োগ করতে হবে না.
No comments:
Post a Comment